টঙ্গী রেলস্টেশন এলাকায় আবাসিক হোটেলগুলো নিয়ে স্থানীয়দের চরম অভিযোগ – জরুরি অভিযানের দাবি

দৈনিক নতুন দিন
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
টঙ্গী রেলস্টেশন এলাকায় আবাসিক হোটেলগুলো নিয়ে স্থানীয়দের চরম অভিযোগ – জরুরি অভিযানের দাবি
৩৮৫

টঙ্গী রেলস্টেশন এলাকায় আবাসিক হোটেলগুলো নিয়ে স্থানীয়দের চরম অভিযোগ – জরুরি অভিযানের দাবি
📌 লিড:
গাজীপুরের গুরুত্বপূর্ণ টঙ্গী রেলস্টেশন এলাকায় একের পর এক আবাসিক হোটেলকে কেন্দ্র করে অসামাজিক কার্যকলাপ, দালাল চক্র ও নারীর শোষণের গভীর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি—তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিলে এলাকা পুরোপুরি অনিরাপদ হয়ে পড়বে।
🏨 অভিযোগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থাকা আবাসিক/গেস্ট হাউসগুলো:
১️⃣ হোটেল এক কাজী
স্থানীয়দের অভিযোগ—রাতের বেলায় অস্বাভাবিক অতিথি প্রবেশ-প্রস্থান, সন্দেহজনক রুম বুকিং।
২️⃣ দুই বাই বাই আবাসিক হোটেল
অভিযোগ—স্বল্প সময়ের রুম ভাড়া, ঘন ঘন লোক উঠানামা, অচেনা ব্যক্তির আনাগোনা।
৩️⃣ তীর মক্কা গেস্ট হাউস
অভিযোগ—রাতভর রুম পরিবর্তন, দলবদ্ধ প্রবেশ, সংগঠিত চক্রের আড্ডাখানা হিসেবে ব্যবহারের আশঙ্কা।
4️⃣ মোহাম্মদ গেস্ট হাউস
অভিযোগ—গভীর রাতে অস্বাভাবিক ভিড়, অসামাজিক কাজের আশঙ্কায় স্থানীয়দের আতঙ্ক।
5️⃣ টঙ্গী আবাসিক ঘর
অভিযোগ—জরাজীর্ণ রুমগুলোতে অচেনা লোকদের দীর্ঘ সময় অবস্থান, দালালদের সক্রিয়তা সন্দেহ।
6️⃣ বিসমিল্লাহ আবাসিক
অভিযোগ—পরিচয় যাচাই ছাড়া রুম ভাড়া, যা অপরাধমূলক কার্যক্রম বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা।
7️⃣ হক গেস্ট হাউস
অভিযোগ—স্টেশনসংলগ্ন হওয়ায় রাতের বেলায় জনসমাগম বেড়ে যায়, যা স্থানীয়দের দৃষ্টিতে সন্দেহজনক।
🚨 স্থানীয়দের দাবি — এখনই অভিযান দরকার!
✔ স্টেশন এলাকার সব আবাসিক হোটেল ও গেস্ট হাউস তদন্তের আওতায় আনতে হবে
✔ কাগজপত্র, সিসিটিভি, রেজিস্টার জরুরি চেকিং করতে হবে
✔ দালাল চক্র ও সম্ভাব্য মানবপাচার রোধে র‍্যাপিড অ্যাকশন ও নিয়মিত অভিযান
✔ অনৈতিক ব্যবসার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
✔ নারীর শোষণ বন্ধে বিশেষ নজরদারি টিম